লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজ

লাইক দিন আমাদের ফেসবুক পেজ
True skills muhammad Alamin official fb page

ব্লগার ব্লগের পোস্ট কে ফেসবুক প্রোফাইলে অটোমেটিক শেয়ার করে দিন খুব সহজে।



অনেকদিন পর পোস্ট লিখছি বন্ধুরা। হয়তোবা আমাকে আপনারা মনে রেখেছেন বা রেখেছেন কিনা জানিনা। অনেক দিন ব্লগ লিখি না। হাত টাও স্লো হয়ে গেসে। যাই হোক ব্লগ জিনিসটাকে কেমন যানি ছারতে পারি না আর ছারতে চাইও না। যাই হোক না কেনো আজকের টপিক এ যাই চলুন। টপিক টা আমি লিখছি আমাদের ব্লগের ফেসবুক গ্রুপে  এই বিষয়ে হেল্প চাওয়া হয়েছে তাই। হেল্পটি চাওয়ার পরে তা গ্রুপে সাড়াও ফেলে দিয়েছে। তাই লিখছি। ব্লগার এর সাথে ফেসবুক কানেক্ট এর জন্য যাতে করে আপনি আপনার ব্লগের নতুন পোস্ট গুলি ফেসবুক প্রোফাইলে অটো সেভ করতে পারেন। এটা খুবি সহজ একটা পদ্ধতি। সব গুলো স্টেপ ভালো ভাবে দেখলেই বুঝতে পারবেন। আর করতেও পারবেন। তাহলে আসুন শুরু করি।

যেভাবে ব্লগারের পোস্ট কে ফেসবুকে অটো শেয়ার করবেনঃ

আগেই বলেছি  সব গুলো স্টেপ ভালো ভাবে দেখলেই বুঝতে পারবেন। আর করতেও পারবেন।

  • প্রথমে এই লিঙ্ক টি তে ক্লিক করে প্রবেশ করুন। https://ifttt.com/
  • এবার উপরে সাইন আপ বাটোনে ক্লিক করুন। নীচের মতঃ

  • এবার আপনার ই-মেইল ও পাসওয়ার্ড দিয়ে সাইন আপটি পূর্ণ করুন। 

  • তো এবার একটা ছোট স্টেপ দেখাবে সেটাকে পূরন করুন। (কারনবসত স্টেপ টির স্ক্রীন শট নিতে পারিনি।) তবে সম্ভবত নীচের মত হবে।

  • তো এখন ত হল। এবার কিছু এপস আপনাকে লাইক করতে হবে বা এমন কিছু এপস বাছাই করুন যার সাথে আপনার কাজের নমুনা রয়েছে।

  • এবার My Recipes এ যান। Create Recipe ক্লিক করুন।
  • এবার নীচের মত দেখাবে।
  • this এ ক্লিক করে Blogger লিখে সার্চ দেন আর that এ ক্লিক করে ফেসবুক লিখে সার্চ দেন ও দুইটাই কানেক্ট করে ফেলুন।

  • এবার Recipe Title এ রিসিপ টার নাম দিয়ে Create Recipe এ ক্লিক করুন।
ব্যাস হয়ে গেল। এবার আপনার পোস্ট অটো ফেসবুক এ শেয়ার হয়ে যাবে। 

আজ এই পর্জন্তই। কোনো প্রব্লেম ফেস করলে নীচে কমেন্ট করুন। আর পছন্দ হলে সামাজিক মাধ্যম গুলতে শেয়ার করুন।


যে ৫টি কাজ প্রতিদিন একজন মুসলমানের করা উচিত? #Trueskillsmuhammadalamin

যে ৫টি কাজ প্রতিদিন একজন মুসলমানের করা উচিত 


একজন মুসলমান তার দৈনন্দিন কার্যক্রম কিভাবে পরিচালনা করবে তা কুরআন এবং হাদিসে বর্ণিত আছে। কিছু কিছু কাজ আছে যা দৈনিক করার প্রয়োজন নেই যেমন জুম্মার নামায। তবে যেসব কাজ দৈনিক করতে হয় তার মধ্যে থেকে ৫টি কাজকে নির্বাচন করে এই লেখায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

এই কাজ গুলো নারী পুরুষ নির্বিশেষে প্রত্যেকের করা উচিত। নিচে এরকম ৫টি কাজের তালিকা দেয়া হল।

যে কাজ মুসলমানের করা উচিত

১. মসজিদে গিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায়

নামায ইসলামের ফরয হুকুম। নামায ত্যাগ করলে কঠিন শাস্তির বিধান রয়েছে। নামাজের গুরুত্ব ও উপকারিতা এবং স্বেচ্ছায় নামাজ ত্যাগকারীর পরিণতি কি হতে পারে এটা জানাও জরুরি। নামাজ ইসলামের প্রথম একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদাত হওয়ার ফলে এটা ত্যাগ করার শাস্তি ভয়ংকর। প্রতিদিন একজন মুসলমানের উপর ৫ ওয়াক্ত নামায ফরয। আর এই ৫ ওয়াক্ত নামায অবশ্যই একজন মুসলমানকে আদায় করতে হবে। আল্লাহ তায়লা বলেন,

হে ঈমানদারগণ! তোমরা সবর এবং নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সহায়তা কামনা করো। আর নিশ্চয়ই আল্লাহ সবরকারীদের সাথে রয়েছেন।

(সূরা বাকারাঃ ৪৫)

পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে মসজিদে গিয়ে আদায় করার জন্য বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। যদি কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে জামাত ত্যাগ করে তবে তার জন্য হাদিস শরীফে কঠিন হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে। 

(সহীহুল বুখারী ৬৪৫, ৬৪৬, ৬৪৭, মুসলিম ৬৫০, তিরমিযী ২১৫, নাসায়ী ৮৩৭, ইবনু মাজাহ ৭৮৯, আহমাদ ৫৩১০, ৫৭৪৫, ৫৮৮৫, মুওয়াত্তা মালিক ২৯০)

নামাজ আদায় করলে কেবল যে ইবাদাত পালন হয় তা কিন্তু নয়। বরং নামাজের মধ্যে রয়েছে দৈহিক, মানসিক এবং আত্মিক প্রশান্তি। নামাজ আদয়ের দ্বারা অনান্য গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব। প্রবাহমান নদীতে দৈনিক ৫ বার গোসল করলে শরীরে যেমন পরিষ্কার এবং ভাল থাকে তেমনি ৫ ওয়াক্ত নামাজও। তাই নামাজ ইসলামের মৌলিক এবং ফরয ইবাদাত হওয়ার কারণে একজন মুসলমানের প্রতিদিন এটা আদায় করা উচিত।২. প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত

কুরআন তিলাওয়াত মন এবং দেহকে প্রশান্ত করে। প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করা কুরআনের হক। কুরআন হল হৃদয়ের আালো। কুরআন তিলাওয়াতের দ্বারা হৃদয়ের আলো বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিনের সকালটি যদি আপনি কুরআন তিলাওয়াত দিয়ে শুরু করতে পারেন তবে আপনি নিজেই এর উপকারিতা দেখতে পারবেন।

প্রতিদিন বেশ কিছু সূরা পাঠ করার ব্যাপারেও রাসূল সা: তাগিদ দিয়েছেন এবং এর ফযিলত বর্ণনা করছেন। কুরআন তিলাওয়াতের ব্যাপারে সওয়াব এবং এর উপকারের কথা রাসূল সাঃ তাঁর হাদিসের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্ণিত,

তিনি বলেন যে, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, এটা খুবই খারাপ কথা যে, তোমাদের মধ্যে কেউ বলবে, আমি কুরআনের অমুক অমুক আয়াত ভুলে গেছি; বরং তাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। সুতরাং তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করতে থাক কেননা, তা মানুষের অন্তর থেকে উটের চেয়েও দ্রুত গতিতে চলে যায়।

(৫০৩৯; মুসলিম ৬/৩৩, হাঃ ৭৯০, আহমাদ ৩৬২০)

প্রতিদিন পাঠ করার মত বেশ কিছু সূরা এবং এর ফযিলত সূমহ:

সুরা ওয়াকিয়া – রিজিক বৃদ্ধি করেসূরা ইয়াসিন – মৃত্যু যন্ত্রণা সহজ হয়, পূর্বের গুনাহ মাফ, অভাব দূর, শান্তি ও রিজিক বুদ্ধি পায়সূরা কাহাফ – দাজ্জালের ফেৎনা থেকে মুক্তি, গুনাহ মাফসূরা বাকারা – ঘর থেকে শয়তান দূর হয়েসূরা মূলক –  এই সূরা পাঠকারীর জন্য ক্ষমা লাভ না করা পর্যন্ত সুপারিশ করেসূরা দুখান – বার হাজার ফেরেশতা ক্ষমা প্রার্থনা করে তার জন্য

৩. যিকির এবং আল্লাহর প্রশংসা করা

যিকির তথা আল্লাহকে সর্বদা স্মরণ রাখা। আল্লাহকে সর্বদা স্মরণ রাখার প্রধান উপকারিতা হল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা যায়। আল্লাহর ভয়ে পাপ থেকে বিরত থাকা যায়। এছাড়া আল্লাহর প্রশংসা এবং যিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। আবুল আহওয়াস (র) থেকে বর্ণিত,

আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেছেন, আল্লাহর যিকির করলে শয়তানের পক্ষ থেকে ঘুম এসে যাবে। তোমরা চাইলে অনুশীলন করে দেখতে পারো। তোমাদের কেউ যখন শয্যাগত হয়ে ঘুমাতে ইচ্ছা করে তখন সে যেন মহামহিম আল্লাহর যিকির করে।

(বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ)

যিকিরের মধ্যেও রয়েছে মানসিক প্রশান্তি। আর যিকিরের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল যিকির সব সময় করা যায়। আপনি গাড়িতে আছেন কিংবা রাস্তা দিয়ে হাঁটছেন সেই সময়ও যিকির করতে পারেন। তাই যিকির একজন মুসলমানের প্রতিদিনের আমল হওয়া চাই।

৪. তওবা এবং ইস্তিগফার করা

মানুষের মৃত্যু অনিশ্চিত। যেকোন সময় যেকোন ভাবে একজন মানুষের জীবনের অবসান হতে পারে। আর এরকম অনিশ্চিত জীবনে আমরা সর্বদা বিভিন্ন পাপে লিপ্ত হয়ে যাই। তাই একজন মুসলমানের উচিত প্রতিদিন তওবা এবং ইস্তিগফার করা। আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা নিজ হাত রাতে প্রসারিত করেন; যেন দিনে পাপকারী (রাতে) তওবা করে এবং দিনে তাঁর হাত প্রসারিত করেন; যেন রাতে পাপকারী (দিনে) তওবাহ করে। যে পর্যন্ত পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয় না হবে, সে পর্যন্ত এই রীতি চালু থাকবে।’

(রিয়াদুস সালেহীন)

মৃত্যু অনিশ্চিত, আপনার মৃত্যু কখন হবে আপনি জানবেন না। আর মৃত্যুর পর কোন তওবাও কবুল হবে না। তাই একজন মুসলমানের উচিত সর্ব অবস্থায় তওবা করা। কারণ একজন সাধারণ মুসলমান হিসাবে গুনাহ হতেই পারে, এই জন্য অনুতপ্ত হওয়া উচিত এবং হতাশ না হয়ে আল্লাহর উপর আস্থা রেখে তওবা করা উচিত।

৫. দান-সদকাহ করাদান করার দ্বারা সম্পদ বৃদ্ধি পায়। দান করার ফলে গুনাহ মাফ হয় এছাড়া অন্যান্য ভাইয়ের উপকারও হয়। তাই সর্বদা দান করা উচিত। আল্লাহ তায়লা বলেন,

যারা আল্লাহর কিতাব পাঠ করে, নামায কায়েম করে, এবং আমি যা দিয়েছি, তা থেকে গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে, তারা এমন ব্যবসা আশা কর, যাতে কখনও লোকসান হবে না।

(সূরা ফাতির: ২৯)

দান সদকাহ পাপ মোচন করে, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সম্পদ বৃদ্ধি করে। একজন মুসলমান নিয়মিত দান করবে এটাই স্বাভাবিক। দান করলে কখনোই সম্পদ হ্রাস পায় না তাই একজন মুসলমান হিসাবে বেশী  বেশী দান করা উচিত।

উপরোল্লিখিত কাজগুলো একজন মুসলমান নিয়মিত করলে গুনাহ থেকে যেমন বেঁচে থাকতে পারবে পাশাপাশি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবে ইন শা আল্লাহ। হতে পারে প্রথম দিকে সবগুলো কাজ করা কঠিন হবে তবে নিয়মিত করলে তা সহজ হয়ে যাবে।

দ্বীনি কথা শেয়ার করে আপনিও ইসলাম প্রচারে অংশগ্রহণ করুন।

সূত্র: islamientertainment.com

Freelancher Nasim PDF

Freelancher Nasim PDF Books free dwonload.



Book Name: Freelancing : Internet Theke Ay by Freelancer Nasim - PDF Download
বাংলা বই : ফ্রিল্যান্সিং : ইন্টারনেট থেকে আয় - ফ্রিল্যান্সার নাসিম  - পড়ুন 
Book Category : Freelancing & Outsourcing Books

Book Writer: Freelancer Nasim 
Book Format: Portable Document Format - PDF File
Book Language: Bengali
Book info:  115 Pages and 5 Megabytes
Book Courtesy: Porag Education & Google Drive

Book Review: 



ফ্রিল্যান্সিং ইন্টারনেট থেকে আয় - লেখক:ফ্রিল্যান্সার নাসিম।
ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং। বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী প্রচলিত এই দুইটি শব্দ শব্দ।দুইটি শব্দ এক মনে হলেও এরা কিন্তু এক নয়। তাই ফ্রিল্যান্সিং আর আউটসোর্সিং মানে কি সেটা একটু জানা দরকার।  ফ্রিল্যান্সিং বলতে এমন একটি কাজকে বোঝায় যেখানে একজন মানুষ কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে পৃথিবীর যেকোন জায়গায় বসে ফাইল দান প্রদানের কাজ করে দেয়।তাদের দুরুত্ব যদি এক রুম থেকে অন্য রুমেও হয় তাহলেও এটি ফ্রিল্যান্সিং। আর দুরুত্বটি এক দেশের সাথে অন্য দেশেরও হতে পারে। আউটসোর্সিং বলতে যিনি কাজটি একজন ফ্রিল্যান্সারকে দিচ্ছেন। সুতরাং, যিনি কাজ দিচ্ছেন তিনি আউটসোর্সিং করছেন, আর যিনি কাজ করছেন তিনি ফিল্যান্সিং করছেন। আর ফ্রিল্যান্সিং করে একজন ব্যাক্তি মাসে ১০,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৪-৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন। এই বইয়ে আলোচনা করা হয়েছে  নিচের কাজ গুলো থেকে যেকোন একটি পারলে আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে দিতে পারেন।
কাজ গুলো হলো:
1.Web Design.
2.Web Development.
3.Mobile Apps development.
4.Desktop Software Development.
5.Graphic Design.
6.Photo Editing.
7.Video Editing.
8.Seo-Search Engine Optimization.
9.Data entry.
10.Cartoon,3d Design.
11.Architecture Design.
12.Google Adsense
13.Cpw Marketing.
14.Affiliate Marketing.
15.Digital Marketing.
16.Dropshipping.

ফ্রিল্যান্সিং ইন্টারনেট থেকে আয় বইটি একুশে বই মেলা ২০২০ এ পাওয়া যাচ্ছে। আপনি রকমারি ডট কম থেকেও কিনতে পারেন। অরিজিনাল বই পড়ুন লেখককে সম্মান ও সম্মানী দিন। 

Freelancing : Internet Theke Ay by Freelancer Nasim is a popular Bangla Book for learning Freelancing and Outsourcing for Beginners of Bangladesh. The Book is about how to earn from Internet and Online. The Book was first published from Dhaka, Bangladesh in Bengali. Freelancer Nasim is a Bangladeshi Writer, Freelancer, Motivational Speaker etc. He is popular for his Freelancing related Books, Youtube Video and Online Classes. Most Popular Books of  Freelancer Nasim are Freelancing Internet Theke Ai, How to earn online form Bangladesh, Internet and Outsourcing BD Online PDF Books etc.  Download Freelancer Nasim Bangla Books, Freelancer Nasim PDF Bangla Books,  Popular Bangla Novels, Bengali Books, Bangla eBooks in pdf format and Read Freelancing : Internet Theke Ay by Freelancer Nasim PDF - Download Freelancer Nasim Freelancing Popular Banglas PDF . ফ্রিল্যান্সার নাসিম এর জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক বই, অনলাইন থেকে আয়, ইন্টারনেট থেকে আয়,  বাংলা বই, বিজ্ঞানের বই, উপন্যাস ও  ভিডিও ডাউনলোড করুন ও পড়ুন।   

Remarks: 

Download Bangla books, Free Bengali Magazine, Bangla Anubad Boi in pdf format or Read online. All links are external and sometimes may not work properly.  To send new book request write on comment field. Please report if you found spam, adult content or copyright violation. For an

আহলে হাদিস সালাফীদের পরিচয়

#আহলে_হাদিস_সালাফীদেরপরিচয়>>
>

★★আহলে হাদিস কোন ধর্মের জাতির বা কোন সম্প্রদায়ের নাম নয় এটি মুসলমানদের একটি গুনগত বা বৈশিষ্টগত নাম মাত্র।
>
#ফারসি সম্বন্ধ পদে  আহলেহাদীছ্ এবং আরবী সম্বন্ধ পদে আহলুল হাদীছ্  -এর আভিধানিক অর্থঃ হাদীছের অনুসারী। 
এবং পারিভাষিক অর্থে কুরআন ও সহীহ্ হাদীছের নিরপেক্ষ অনুসারী "।
>
♦♦যিনি জীবনের সর্বক্ষেত্রে পবিত্র কুরআন ও সহীহ্ হাদীছের সিদ্ধান্তকে নিঃশর্তভাবে  তুলতে সচেষ্ট হবেন কেবলমাত্র তিনিই এ নামে অভিহিত হবেন।
>
সাহাবায়ে কেরাম হলেন আহলে হাদিসদের প্রথম সারির সম্মানিত দল। কেননা সাহাবায়ে কেরামের যুগেই এই আহলেহাদীছ্ শব্দ টি ব্যাপক ভাবে প্রসার লাভ করে। কারন সে সময় বিভিন্ন ফের্কা জন্ম নিয়ে ছিল যেমনঃশীয়া,খারেজী, মুতাযিলা,মুরজিয়া, রাফেজিয়া প্রভৃতি নামে প্রসিদ্ধ।
>
♦♦তারা সকলেই নিজেদের কে আহলুস সুন্নাহ ও মুসলমান বলে দাবি করত।একারনেই প্রকৃত মুসলমান হিসাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে আহলুল হাদীছ্ শব্দটি ব্যবহার করার প্রয়োজনীয়তা সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকেই দেখা যায়।
>
♦♦যেমন হযরত আবু সায়ীদ খুদরী (রা) হতে বর্নিত তিনি যখন কোন মুসলিম যুবককে দেখতেন তখন খুশি হয়ে বলতেন, রাসুল (স) এর অসীয়ত অনুযায়ী আমি তোমাকে মারহাবা জানাচ্ছি।
রাসুল (স) আমাদেরকে তোমাদের জন্য মজলিস প্রশস্ত করার ও তোমাদেরকে হাদীছ্ বুঝাবার নির্দেশ দিয়ে গেছেন। কেননা তোমরাই আমাদের পরবর্তী বংশধর ও পরবর্তী আহলে হাদীছ্। (দেখুন, আল -মুস্তাদরাক ১/৮৮ পৃঃ সিলসিলা সহীহা হা /২৮০)।
>
♣♣তাছাড়া খ্যাতনামা তাবেঈ ইমাম শা বী রঃ (২২-১০৪ হিঃ) সাহাবায়ে কেরামের জামাআতকে আহলুল হাদীছ্ বলতেন। যেমন একদা তিনি বলেন এখন যেসব ঘটছে তা আগে জানলে কোন হাদীছ্ বর্ননা করতাম না কেবল ঐ হাদীছ্ ব্যতীত, যার উপরে আহলুল হাদীছ্ অর্থাৎ সাহাবায়ে কেরামেরা একমত হয়েছেন।(শামসুদ্দীন যাহাবী, তাযকেরাতুল হুফফায ১/৮৩ পৃঃ)।

বি দ্রঃ→এতদ্বছাড়া প্রসিদ্ধ চার ইমামের সকলেই আহলে হাদীছ্ ছিলেন। যেমন (১) ইমামে আযম আবু হানিফা (র) বলেন যখন সহীহ্ হাদীছ্ পাবে, জেনে রেখো সেটাই আমার মাযহাব ।(শামী হাশিয়া রদ্দুল মুহতার ১/৬৭ পৃঃ, মীযানুল কুবরা ১/৩০ পৃঃ)।
>
♣♣(২) ইমাম শাফেঈ (রহঃ) বলেন যখন আমি কোন আহলে হাদীছ্ কে দেখি,তখন আমি যেন রাসুল (স) কে এবং তার সাহাবীদের কে জীবন্ত দেখি।[শারফ -২৬]
>
♣♣(৩) ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রঃ) বলেন তারা যদি আহলে হাদীছ্ না হন,তবে আমি জানিনা তারা কারা।[তিরমিযী, মিশকাত হা /৬২৮৩ -এর ব্যাখ্যায়, শারফ -১৫]।
>
♦♦তাছাড়া তিনি আরও বলেন আহলে হাদীছের চেয়ে উত্তম কোন দল আমার কাছে নেই।তারা হাদীছ্ ছাড়া অন্য কিছু চেনে না।
>
[আবুবকর আল -খত্বীব বাগদাদী,শারফু আছহাবুল হাদীছ্ পৃঃ ২৭]।
>
♣♣(৪) ইমাম আবুদাউদ (রঃ) বলেন আহলে হাদীছ্ জামাআত যদি দুনিয়ায় না থাকতো তাহলে ইসলাম দুনিয়া থেকে মিটে যেত।[শারফ -২৯ পৃঃ]।
>
♣♣(৫) খলিফা হারুনর রশীদ (মৃঃ ১৯৩ হিঃ) বলতেন আমি মুসলমানদের চারটি দলের মধ্যে চারটি বস্তু পেয়েছি কুফরি সন্ধান করে পেয়েছি জাহমিয়াদের  মধ্যে,কুটতর্ক ও ঝগড়া পেয়েছি  মুতাযিলাদের মধ্যে, মিথ্যা খুঁজেছি ও সেটিকে পেয়েছি রাফেজিয়া-দের মধ্যে,অতঃপর আমি হক্ব খুঁজেছি এবং তা পেয়েছি 'আহলে হাদীছ্দের ' মধ্যে।(শারফ -৩১ পৃঃ)
>
♣♣(৬) বড় পীর নামে খ্যাত শায়খ আব্দুল ক্বাদির জিলানী (রঃ) বলেন আহলেসুন্নাত ওয়াল জামাআতের অন্য কোন নাম নেই একটি নাম ব্যতীত আর সেটিই হলো আহলুল হাদীছ্ [গুনিয়াতুত ত্বালেবীন ১/৯০ পৃঃ]।
>
♦♦বিঃদ্র→এছাড়া অজস্র প্রমাণ সংরক্ষিত আছে ইংশাআল্লাহ।তবে বিশেষ কথাটি হলো এইযে চার ইমামের সকলেই তাদের তাক্বলিদ তথা দ্বীনী বিষয়ে অন্ধ অনুসরণ বর্জন করে সহীহ্ হাদীছ্ অনুযায়ী আমল করার জন্য সকলকে নির্দেশ দিয়ে গেছেন।
>
#অতএব স্পষ্টত প্রতীয়মান যে, সাহাবীদের যুগ থেকেই এই আহলুল হাদীছ্ শব্দটি চলে আসছে। এককথায় বলা যায়, "সাহাবায়ে কেরামের যুগ থেকে চলে আসা নির্ভেজাল মুসলমানদের একটি সতন্ত্র বৈশিষ্ট গত নাম।" আহলুল হাদীছ্ মানে কুরআন এবং সহীহ্ সুন্নাহর অনুসারীর নাম।
>
#সুতরাং হে আল্লাহ তুমি সকল মুসলমান ভাই ও বোনদেরকে প্রকৃত পক্ষে আহলে হাদীছ্ হওয়ার তৌফীক দান কর।(আমিন)।
>
#তার পরো যারা বলবে আহলে হাদিস দল হচ্ছে ফেতনা বাজ..! তারা সরাসরি এই অপবাদ আবুসাইদ খুদরী (রাঃ) আনহুর উপরেও দিল।
কারন তিনি নিজে আহলে হাদিস ছিলো।
>
#শুধু আবু সাইদ খুদরী রাঃ নয় সকল সাহাবারাই আহলুল হাদিস অর্থাৎ হাদিসের অনুসারি ছিলেন।
>
#তাই যারা বলবে আহলে হাদিস হচ্ছে ফেতনা বাজ।তারা এই অপবাদ সাহাবাদেরকেও দিলো। 
==================================
#তাই যারা আহলুল হাদিসদেরকে ফেতনা বাজ বলে আল্লাহ ঐ সব লোকদেরকে হেদায়েত করুন(আমীন)।


জনাব, আল্লাহ'তো বলেছেন মুসলিম বলতে, তাহলে আপনার নাম কেন রাখলেন?
আপনাকে কেউ যদি বলে আপনার নাম কি? তখন কিন্তু আপনি মুসলিম বলবেননা, বলবেন আমার নাম #ব্লেক_পিপল_  
তাই বুঝতে হবে আসহাবুল হাদীস, আহলুল হাদীছ, আহলে হাদিস, সালাফি একটি বৈশিষ্ট্যগত নাম।  
মুসলিমতো শিয়া,কাদিয়ানী, খারিজী, দেওয়ান বাগি, হেজবুত তাওহীদ, মাজার,কবর পুজারী, ভন্ড পীর, আরও অনেক ভ্রান্তদল তারাও দাবি করে,  বলে আমরা মুসলিম, ভাই, মধুতো মধুই ছিল, তাহলে খাটি মধু নামকরন হলো কেন?
এইজন্য আমরা আহলে হাদিস, আহলুল হাদীস, সালাফি পরিচয় দেই, যারা ব্যাক্তি পুজারি বাদ দিয়ে, মানুষের মত উপেক্ষা করে, নিঃশর্ত ভাবে পবিত্র কোরআন ও গ্রহনযোগ্য হাদিসের আলোকে জীবন ধারন করে, তারাই আহলুল হাদীস তথা সালাফি।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন। 
জাযাকাল্লাহু খাইরান...?

কখন বিসমিল্লাহ এবং কখন বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলতে হয় জানুন ?

কখন বিসমিল্লাহ এবং কখন বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলতে হয় জানুন ? Shaikh Abdur razzak bin yousufe


"True Skills muhammad Alamin" এর ভিডিও গুলো ভাল লাগলে অবশ্যই সাবস্ক্রাইব করবেন । লাইক কমেন্টা ও সেয়ার করে সাথেই থাকবেন । দেখতে থাকুন আমাদের ভিডিও এবং ছরিয়ে দিন সবার মাঝে ।

Tag: কখন বিসমিল্লাহ , বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম , abdur razzak bin yousuf 2018 , abdur Razzak bin Yousuf , bangla waz , abdur razzak bin yousuf waz , waz , bangla hadis video , best motivational video , peace tv bangla , বাংলা ওয়াজ , Islamic Jibon Online , muhammad , islamic solution ,

#মাহে_রমজান #AzhariWaz #দোয়া #BanglaWaz #NiceWaz #MizanurRahamanAzhari #MaulanaMizanurRahmanAzhari #Azhari #MaulanaAzhari #AzhariBanglaWaz #IslamicWaz #IslamicLife

আমাদের ফেইচবুক পেইজে লাইক দিনঃ https://www.facebook.com/Technicalaalaminhelp প্রয়োজনে যোগাযোগঃ https://www.Alaminitbd.blogspot.com আপনার প্রিয়জনদের কাছে পৌঁছে দিন ইসলামের শাশ্বত বাণী। আপনি যা শিখেছেন তা অল্প হলেও অন্যের কাছে পৌঁছে দিন। একটি আয়াত, একটি হাদিস, একটি মাসআলা, একটি বিধান এবং একটি সতর্কবার্তা হলেও পৌঁছে দিন। ইসলামের সাহায্যের অন্যতম মাধ্যম হলো অন্যের কাছে হাদিসের বাণী পৌঁছে দেয়া। হৃদয় থেকে হৃদয় উদ্ভাসিত হোক ঈমানের আলোকচ্ছটায় l #mizanur_rahman_azhari_2020 #মিজানুর_রহমান_আজহারী_নতুন_ওয়াজ #mizanur_rahman_ajhari_new_waz #mijanur_rahman_ajhari #মিজানুর_রহমান_আজহারী #আজহারী #waz #WazMahfil #WazBangla #BanglaWazMahfil #BanglaWaz #IslamicWaz #BanglaWazNew
#True_Skills_Muhammad_Alamin

Fair Use Disclaimer:
-------------------------------
This channel some contents are used for educational purpose copyrighted materials without specific authorization of the owner but contents used here falls under the “Fair Use”
Copyright Disclaimer under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for "fair use" for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research. Fair use is a use permitted by copyright statute that might otherwise be infringing. Non-profit, educational or personal use tips the balance in favor of fair use.


Popular Posts